এই মাত্র

মেসির চারে এইবারের জালে ৬ গোল

চলতি মৌসুমে মেসির দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক। ঘরের মাঠে এইবারকে ৬-১ গোলে হারিয়েছে বার্সেলোনা। সেখানে লিওনেল মেসিরই চার গোল। মেসির জ্বলে ওঠায় জয়রথ অব্যাহত রাখলো বার্সা। অন্যদিকে, ম্যাচের শুরুতে ঝলক দেখানো এইবার সময়ের সঙ্গে সঙ্গে খেই হারিয়ে ফেলে।

খেলা শুরুর ৯ মিনিটে দুটি আক্রমণ হয়। দুটি আক্রমণই সামাল দিতে হয় বার্সা গোলকিপার মার্ক-আন্ড্রে টের স্টেগেন। এরপর আর ম্যাচে তেমন একটা পাওয়া যায়নি স্প্যানিশ দল এইবারকে। পুরোটা সময় জুড়ে ম্যাচটা নিয়ন্ত্রণ করেছে বার্সেলোনা। এইবারকে ৬-১ গোলে বিদ্বস্ত করে মাঠ ছাড়ে কাতালানরা। আর মেসি একাই করেন চার গোল।

মেসির দিনে গোল পেয়েছেন গেতাফের বিপক্ষে বদলি নেমে গোল করা পাওলিনিয়ো ও দেনিস সুয়ারেস। এইবারের জালে বল পাঠানোর পাশাপাশি মেসির গোলেও অবদান রাখেন এই দু’জন।

খেলার ২০তম মিনিটে ডিফেন্ডার আলেক্স গালভেজ ডি-বক্সে নেলসন সেমেদোকে ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। আর স্পটকিক থেকে সরাসরি বল জালে জড়িয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান মেসি।

৩৭ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ হতে পারতো; কিন্তু মেসির ট্রেডমার্ক শট ডানদিকে ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক। গেতাফের বিপক্ষে হোঁচট খেতে বসা ম্যাচের শেষ দিকে জয়সূচক গোল করা পাওলিনিয়ো ৩৮ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। দেনিস সুয়ারেসের কর্নারে হেড করে গোলটি করেন ব্রাজিলের এই মিডফিল্ডার।

দ্বিতীয়ার্ধের অষ্টম মিনিটে ব্যবধান বাড়ান দেনিস সুয়ারেস। ডি-বক্সের মধ্যে ডান পায়ের শটে গোলটি করেন স্পেনের এই মিডফিল্ডার। গোলটিতে বড় অবদান ছিল মেসির; মাঝমাঠের কাছ থেকে ছুটে একজনকে কাটিয়ে তার নেওয়া শট গোলরক্ষক ঝাঁপিয়ে ঠেকানোর পর ফাঁকায় বল পেয়েছিলেন ২৩ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার। চার মিনিট পর স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড এনরিচ ব্যবধান কমিয়ে লড়াইয়ে ফেরার আশা জাগান।

এরপর ক্যাম্প ন্যু’য়ের ম্যাচটি হয়ে যায় কেবলই মেসিময়। ৫৯ ও ৬২ মিনিটে দুই গোল করে লা লিগায় নিজের ২৮তম হ্যাটট্রিক করেন এই আর্জেন্টাইন। কাতালান ক্লাবটির হয়ে সব মিলিয়ে করলেন ৩৯তম আর জাতীয় দল মিলিয়ে ক্যারিয়ারে ৪৩তম হ্যাটট্রিক।

ম্যাচ শেষ হওয়ার আগ মুহূর্ত বদলি নামা আলেইশ ভিদালের কাটব্যাক পেয়ে ৮৭তম মিনিটে নিজের চতুর্থ ও দলের শেষ গোলটি করেন মেসি। এবারের লিগে এখন পর্যন্ত ৯ গোল করে তালিকার শীর্ষে আছেন মেসি।

শেষ দিকে অতিথিদের দুটি প্রচেষ্টা পোস্টে বাধা পেলে বিশাল জয়ের আনন্দেই মাঠ ছাড়ে শীর্ষস্থানধারী বার্সেলোনা। টানা পাঁচ জয়ে তাদের পয়েন্ট ১৫।

চার ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে সেভিয়া। দিনের প্রথম ম্যাচে মালাগাকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়া ভালেন্সিয়া পাঁচ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয়। এক ম্যাচ কম খেলা রিয়াল সোসিয়েদাদের পয়েন্টও সমান ৯। ১ পয়েন্ট কম নিয়ে পঞ্চম স্থানে গতবারের চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ।

Check Also

শুটিং সেটে শিশু রাজ্যকে মানসিক চাপ, মায়ের উকিল নোটিশ

শিশু অধিকারের পরিপন্থি ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে নির্মাতা আদনান আল রাজীবকে (পরিচালক রান আউট …

Powered by keepvid themefull earn money